Published : 01 May 2026, 07:05 PM
দেশের অর্থনীতিতে প্রাণের স্পন্দন ফিরিয়ে আনতে বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্প কারখানাগুলো পুনরায় চালু করার পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মে দিবস উপলক্ষে আজ শুক্রবার রাজধানীর নয়াপল্টনে শ্রমিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন। জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল আয়োজিত অনুষ্ঠানে তারেক রহমান বলেন, “আমি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পর এই বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সাথে বসলাম এবং দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি। এই সপ্তাহেই একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে আমরা বন্ধ কারখানাগুলো কত দ্রুত চালু করে বেকার শ্রমিকদের কাজে ফেরানো যায়, তা নিয়ে আলোচনা করব।” বিগত এক যুগের বেশি সময় ধরে কী ঘটেছে, সে বিষয়ে প্রশ্ন তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা দেখেছি শুধু শ্রমিক নয়—শিক্ষক, শিক্ষার্থী, নারী এবং সমাজের সকল স্তরের মানুষ অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার সম্মিলিত আন্দোলনের মাধ্যমে এই দেশ স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটিয়েছে।” আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দেশের অর্থনীতির যে চিত্র দেখা গেছে, তার সমালোচনা করে তিনি বলেন, “স্বৈরাচারী শাসকেরা কীভাবে লুটপাটের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করেছে, তা আমরা দেখেছি। শিল্প কারখানাগুলো বন্ধ করে দেশকে আমদানিনির্ভর করে ফেলা হয়েছে।” শ্রমিকদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “শ্রমিকেরা ভালো থাকলে বাংলাদেশ ভালো থাকবে। আমরা শুধু বন্ধ কারখানাগুলো চালু করছি না, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সাথে আলোচনা করে নতুন বিনিয়োগও আকর্ষণ করছি।
নতুন নতুন কারখানা স্থাপিত হলে আমাদের শ্রমিক ভাইয়েরা আরও বেশি কাজের সুযোগ পাবেন।” সম্প্রতি ঢাকা শহরের হকার উচ্ছেদ নিয়ে তারেক রহমান বলেন, “যানজট নিরসনের জন্য হকারদের সরানো হলেও আমরা বুঝতে পারছি তাদের পরিবার আছে। আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছি—শুধু উচ্ছেদ করলেই হবে না, তাঁদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থাও করতে হবে।” ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে হকারদের পুনর্বাসনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।।
রাষ্ট্রপতি প্রার্থী মনোনয়নের ক্ষমতা দলীয় প্রধানের হাতে ন্যস্ত করল বিএনপি